শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০২:৫২ অপরাহ্ন

রাতে কাশি কেন বাড়ে, কীভাবে কমাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট টইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০
  • ২৬ বার পঠিত

আমাদের শরীরের অতি পরিচিত উপসর্গ হলো কাশি। এটি মূলত শ্বাসতন্ত্রীয় রোগের উপসর্গ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ পদক্ষেপ মেনে চললে কাশির প্রকোপ কমে যায়। তারা কুসুম গরম পানি পান করতে, তরল জাতীয় খাবার খেতে, প্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করতে এবং বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। সহজ পরামর্শ সবসময় সহজে মেনে চলা যায় না। অনেক সময় কাশির তীব্রতায় বিশ্রাম নেওয়াটাই মুশকিল হয়ে পড়ে, বিশেষ করে রাতে। কিন্তু রাতে কাশি বেড়ে যায় কেন?

শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে ভালোভাবে লড়াই করার সুযোগ দিতে বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের চেয়ে ভালো বিশ্রাম আর কিই-বা হতে পারে? কিন্তু সমস্যা হলো, বিশ্রামের জন্য বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই কাশি শুরু হয়। কাশি অনেক সময় এতোটাই বেড়ে যায় যে, ঘুম আসে না।

রাতে কাশির মাত্রা বৃদ্ধির এক নাম্বার কারণ হলো মাধ্যাকর্ষণ (গ্রাভিটি)। জর্জিয়া ইনফেকশাস ডিজিজের ফিজিশিয়ান মিশেল ব্লাস বলেন, ‘যখন আমরা শুয়ে থাকি, তখন গলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্লেষ্মা জমতে থাকে। এই সমস্যা এড়ানোর উপায় হচ্ছে, শরীরের উপরের অংশ একটু উঁচুতে তুলে ঘুমানো।  ফলে গলায় শ্লেষ্মা জমতে পারবে না।’ এ কাজে ওয়েজ পিলো ব্যবহার করতে পারেন।

শুষ্ক বাতাস নাক ও গলায় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। ফলে রাতে কাশির প্রকোপ বেড়ে যায়। এ সময় কাশির তীব্রতা রোধে ঘরে হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহার করতে পারেন। এটি ঘরের বাতাস আর্দ্র করবে এবং আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া সহজ হবে। অবশ্য হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহারের সময় সচেতন হতে হবে। কেননা এতে যে পানি ব্যবহার করবেন তা জীবাণুমুক্ত না হলে বাতাসে জীবাণু ভেসে বেড়াবে এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

কাশির প্রকোপে রাতে ভালোমতো ঘুম না হলে বা কাশি কমাতে একটি কফ ড্রপ (থ্রোট লজেন্স) চুষতে থাকুন। শ্লেষ্মা উৎপাদন করে না এমন হার্ড ক্যান্ডিও চুষতে পারেন। এতে গলা প্রশান্তি পাবে এবং কাশির মাত্রা কমবে।

প্রচুর পানি পান করুন। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে বিছানায় শোয়ার আগ পর্যন্ত। তরল জাতীয় খাবার খান। পানি বা তরল গলার শ্লেষ্মা পাতলা করে। ফলে আপনি আরাম পাবেন।

অল্প মধু খান। বার্মিংহাম ডিপার্টমেন্ট অব মেডিসিনের অন্তর্গত ইউনিভার্সিটি অব আলাবামার ফিজিশিয়ান স্টিফেন রাসেল বলেন, ‘কাশি কমাতে উষ্ণ পানি বা চায়ের সঙ্গে মধু খেলে উপকার পাওয়া যায়। শুধু মধুও খেতে পারেন।’ মধু খেলে ২ থেকে ১৮ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের রাতের কাশি কমে যায়। তবে এক বছরের কম বয়সি শিশুকে মধু খাওয়ানো যাবে না।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠান্ডা অথবা ফ্লু জনিত কাশি বেশিদিন থাকে না, চিকিৎসা ছাড়াই নিজে নিজে চলে যায়। কিন্তু  এক সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। অ্যালার্জি, গ্যাস্ট্রোইসোফ্যাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি), অ্যাজমা, ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) অথবা ক্রনিক সাইনুসাইটিস থেকে কাশি হতে পারে। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস থেকেও কাশি হতে পারে। তাই দীর্ঘসময় ধরে কাশিতে ভুগলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতেই হবে।

তথ্যসূত্র: এভরিডে হেলথ

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমূহ

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

জাতীয় তথ্য বাতায়ন

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর

মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো(ব্যানবেইস)

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক- কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্ট

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড

বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল ও আর্কাইভ

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক বাতায়ন

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, যশোর

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, সিলেট

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড

© All rights reserved © 2020 dainikshiksharkhabor
কারিগরি সহযোগিতায়- Shahin প্রয়োজনে: ০১৭১৩৫৭৩৫০২
themesba-lates1749691102