আর্ন্তজাতিক

আক্রান্তের চেয়ে মানুষ চিকিৎসা নিয়ে বেশি আতঙ্কে: ফখরুল

  প্রতিনিধি 25 June 2020 , 6:51:51 প্রিন্ট সংস্করণ

[ad_1]

আক্রান্ত হওয়ার ভয়ের চেয়ে মানুষ এখন নূ‌্যনতম চিকিৎসা নিশ্চিত নিয়ে অনেকে বেশি আতঙ্কগ্রস্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ সেলের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রতিদিনই আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। যদিও লাশের মিছিলে যুক্ত হওয়া একেকজন মানুষ সরকারের কাছে কেবলই একটি সংখ্যা মাত্র, কিন্তু স্বজনহারা পরিবারের কাছে তিনিই ছিলেন অমূল্য সম্পদ। এমন অবস্থায় আপনি, আমি কেউই নিরাপদ নই।

শনাক্ত হওয়ার সাড়ে তিন মাসের মধ্যেই ভাইরাসটি প্রায় প্রতিটি গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে প্রতিটি পরিবারেই সংক্রমিত হওয়ার আশংকা রয়েছে।  মারাত্মক ছোঁয়াচে এই রোগে যতটা আক্রান্ত হওয়ার ভয়, তার চেয়ে বেশি আতঙ্কিত এই ভেবে যে, ন্যূনতম চিকিৎসা পাওয়া যাবে কি-না?

তিনি বলেন, গত ২ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনই গড়ে মারা যাচ্ছেন ৪১ জন মানুষ।  অথচ ১ম দেড় মাসে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা ছিলো ১০ জনের নিচে। সরকারের যথাযথ পরিকল্পনা না থাকায় দিন দিন বাড়ছে লাশের সারি। একইভাবে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যাও।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি ভাইবোনেরা আক্রান্ত ও মারা গেলেও সরকারের কাছে সঠিক তথ্য নেই বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

সরকার করোনার প্রকৃত তথ্যও গুম করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনমনে ধারণা গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে যে মৃত ও আক্রান্তের সঠিক চিত্র লুকিয়ে রাখছে ক্ষমতাসীনরা।

সরকার তাদের বিভিন্ন গোঁজামিলের তথ্য গোপন করতে নানা কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ৮ মার্চ রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের খবর দেওয়া হয়। এরপর কয়েকদিন সংবাদ সম্মেলন করা হলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নে জর্জরিত হয়ে পরে তা সংবাদ বুলেটিনে রূপ নেয়।

তিনি বলেন, পরীক্ষার ফল পেতে ৩ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলেও অনেক অভিযোগ আসছে।  যেখানে একজন করোনা রোগী আক্রান্তের কয়েকদিন পর শ্বাসকষ্টে ভোগেন, সেখানে পরীক্ষার ফল পেতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার শামিল বলে আমরা মনে করি।

করোনা পরিস্থিতিতে বিএনপির কার্যক্রম তুলে ধরে মহাসচিব বলেন, দলের পক্ষ থেকে চুয়ান্ন লাখ বার হাজার চারশ ষোলটি পরিবারকে সহযোগিতা করা হয়। এই সহযোগিতার আওতায় মোট দুই কোটি ষোল লাখ ঊনপঞ্চাশ হাজার ছয়শত চৌষট্টি জন মানুষ উপকৃত হয়েছেন।

এছাড়াও ড্যাব, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও দলের নেতারা কয়েক লাখ মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও পিপি বিতরণ করেছেন।

ঢাকা/সাওন/জেডআর

[ad_2]

Source link

আরও খবর 3

Sponsered content